Thursday, 24/8/2017 | 6:56 UTC+6
দৈনিক বাংলাদেশ

ধোবাউড়ায় সাদা মাটির পাহাড় কাটার মহোৎসবঃপরিবেশ অধিদপ্তর নির্বিকার।

, ধোবাউড়া(ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ জেলার সীমামত্মবর্তী অবহেলিত উপজেলা হচ্ছে ধোবাউড়া। দারিদ্র খেটে খাওয়া শ্রমিকের সংখ্যায় বেশি এই উপজেলায়। তারই সুযোগে স্থানীয় অসাধু চক্রের সহায়তায় এক শ্রেণীর প্রভাবশালী মহল ক্ষমতার দাপটে প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না নিয়েই অবৈধভাবে কেটে ধ্বংস করে দিচ্ছে বাংলাদেশের মূল্যবান এই খনিজ সম্পদ সাদামাটির পাহাড়। গ্রাস করছে ্রপ্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে। স্থানীয় এলাকাবাসী অবৈধ ভাবে সাদা পাহাড় কাটা বন্ধ করে মূল্যবান খনিজ সম্পদ রক্ষার জোড়ালো দাবী জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিন মা্ইঝপাড়া ইউনিয়নের ভেদীকুড়া গ্রামের মুনসাপাড়া পুটিমারী নামক স্থানে অপরূপ সুন্দর এই সাদামাটির ( চিনামাটি) পাহাড়।খনন ও লুটপাটের ধ্বংশের দ্বারপ্রামেত্ম এই সিরামিকস সাদামাটির পাহাড়।আর এই সাদামাটির পাহাড় কেটে কেটে গর্ত করে গভীরে যেতে যেতে আজ ধ্বংস লীলায় পরিনত হয়েছে।জানা যায় খনিজ সম্পদ ব্যুরো থেকে ১/২ হাজার বসত্মার অনুমোদন এনে স্থানীয় প্রভাব শালী মহলের সহায়তায় অনুমোদিত ছাড়ায় শত শত মেঃটন সাদা মাটি বসত্মায় করে প্রশাসনের সামনে দিয়েই নিয়ে যাচ্ছে। গত পহেলা মার্চ ময়মনসিংহ জেলা চিনা মাটি উত্তোলন বিপনন মনিটরিং কমিটি স্বরজমিনে চিনা মাটির পাহাড়ে গিয়ে উত্তোলিত চিনা মাটির পরিমাপ গ্রহন করে।এতে ৯শত ৪ মেঃটন ১ ম শ্রেণীর ও ১ হাজার ৮৫ মেঃটন ২য় শ্রেণীর চিনামাটি মজুদ পান।মূল্যবান খনিজ সম্পদ রক্ষা না করে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর উপ- পরিচালক মোঃ মামুনুর রশীদ নিজে উপস্থিত থেকে পরিমাপ গ্রহন করেন। অনেকেই মমত্মব্য করছেন রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাহলে দেশ চলবে কিভাবে।বিগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান খানের একটি বিশেষ প্রতিবেদন দাখিলের পর কিছুদিন পাহাড় কাটা বন্ধ থাকলেও পরিবেশ অধিদপ্তের চরম গাফলতির কারনে পুনরায় মাটি কাটা ও উত্তোলনের মহোৎসব শুরম্ন হয়। স্থানীয় মজিবুর রহমান সহ আরও অনেকেই অত্যামত্ম দুঃখের সাথে জানান “লাঠি যার মাটি তার”ক্ষমতার দাপটে দীর্ঘদিন যাবৎ মেসার্স বাংলাদেশ এগ্রো সিরামিক কোম্পানীর মালিক গোলাম কিবরিয়া তপন পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই পরিবেশের ১২ টা বাজিয়ে পাহাড় কেটে সাদা ( চিনা)মাটি উত্তোলন করছে। এ ব্যাপারে গোলাম কিবরিয়া তপন বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি তবে মহামান্য হাই কোটের্র নির্দেশনা মেনেই সাদা মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে।অন্যদিকে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মাটি উত্তোলনের পর বড় বড় গর্তগুলি বন্ধ করা হচ্ছেনা । এসব অরক্ষিত ২০ থকে ৩০ফুট গভীর গর্তে যে কোন মুহুর্তে দুর্ঘটনার ঘটার আশংকা বিরাজমান।অভিযোগ রয়েছে  ২০১০ সালের ( ৬) বছর পুর্বে হাইকোর্টে একটি রিটের প্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তের ছাড়পত্র ছাড়াই মাটি উত্তোলনের নির্দেশনা পেয়ে উক্ত কম্পানীটি সকল শর্ত ভঙ্গ করে পাহাড় কেটে সাদামাটি ( চিনামাটি) উত্তোলন করছে।রহস্য জনক কারনে পরিবেশ অধিদপ্তর রিটের বিরম্নদ্ধে কোন আপিল না করে নিরব ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।এবড়ো থেবড়ো ভাবে পাহাড় কাটার ফলে একদিকে যেমন পাহড়ের প্রাকৃতিক ভারশাম্য নষ্ট হচ্ছে অপরদিকে পর্যটন নগরীর আপার সম্ভাবনাটি বিলীন হয়ে যাচ্ছে।অপরূপ সৌন্দর্য ভরা সাদা গোলাপি সহ নানা বর্ণের এই সাদা মাটির পাহাড়ে উঠলে যে কোন পর্যটকের দৃষ্টি কেড়ে নিবে।এছাড়া এই পাহাড়ের পাশেই রয়েছে ভারতের মেঘালয় রাজ্য।ইতি মধ্যে অনেক পাহাড় কেটে বিলীন করা হয়েছে,এখনও চলছে পাহাড় কাটার মহোৎসব।এ ব্যাপারে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন অনুমোদন কৃত ডিওর বাহিরে একটি মাটির বসত্মাও নিতে দেওয়া হবেনা।তিনি আরও বলেন ইতিমধ্যে তিনি স্থানীয় মনিটরিং কমিটিকে ডি ও অনুযায়ী মাটি নেওয়ার বিষয়টি তদারকি করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

About

Comments

comments

সম্পাদক
মফিজুল ইসলাম অলি
ফুলপুর, মোবা: 01712344037

সহকারী সম্পাদক
01. আনছারুল হক রাসেল
হালুয়াঘাট, মোবা: 01750040090
02. শাহ্‌ মোঃ নাফিউল্লাহ সৈকত
ফুলপুর, মোবা: 01711129901

প্রকাশক
রাকিবুল ইসলাম রাকিব
নালিতাবাড়ী, মোবা: 01715560895

বার্তা সম্পাদক
রফিকুল ইসলাম রবি
ধোবাউড়া, মোবা: 01911415636