Saturday, 22/7/2017 | 6:39 UTC+6
দৈনিক বাংলাদেশ

হোলসিম কেনায় লাফার্জের দাম চড়া

হোলসিমকে কিনে নেওয়ার খবরে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত বৃহস্পতিবার লেনদেনের শীর্ষ স্থান দখল করে নেয় লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে ছিল বহুজাতিক এ কোম্পানির শেয়ার।
গত বুধবার লাফার্জ সুরমার পরিচালনা পর্ষদের বিশেষ সভায় হোলসিম বাংলাদেশকে ১১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৩৬ কোটি টাকায় কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে মূল্য সংবেদনশীল এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। তাতে লেনদেন শুরুর পরপরই লাফার্জের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের বিপুল আগ্রহ দেখা যায়। ফলে লেনদেনের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি দামও বাড়তে থাকে।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বৃহস্পতিবার এককভাবে ডিএসইতে লাফার্জের প্রায় ৭৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। যা ডিএসইর ওই দিনের মোট লেনদেনের প্রায় ৮ শতাংশ। বৃহস্পতিবার এক দিনেই লাফার্জের প্রতিটি শেয়ারের দাম ৫ টাকা ১০ পয়সা বা প্রায় সোয়া ৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৮৮ টাকায়। এদিন কোম্পানিটির প্রায় ৮৮ লাখ শেয়ারের হাতবদল হয়।
এদিকে নতুন শেয়ার ইস্যু না করে হোলসিমকে নগদ অর্থে কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত লাফার্জের বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো না খারাপ হবে, এ নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে বাজারে।

জানতে চাইলে মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যেকোনো কোম্পানির একীভূতকরণের ফলে প্রথম যে লাভটি হিসাবে ধরা হয় তা হলো ‘সিনারজি বেনিফিট’। যার ফলে পরিচালন ব্যয় কমে যায় অনেক। একদিকে একীভূত হওয়ার ফলে শীর্ষ একাধিক পদ অবলুপ্ত হয়, অন্যদিকে পণ্যের বাজারজাতকরণে তৈরি একটি চ্যানেল পাওয়া যায়। এতে করেও ব্যয় সাশ্রয় হয়। যেহেতু নতুন শেয়ার ইস্যু করা ছাড়াই হোলসিমকে কিনছে লাফার্জ, তাই লাফার্জের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমার আশঙ্কাও কম। পাশাপাশি কিছু কর সুবিধাও পাওয়া যাবে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, হোলসিমও সিমেন্ট খাতের লাভজনক একটি কোম্পানি। চলতি ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে কোম্পানিটি ২১ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। কেনার ক্ষেত্রে হোলসিমের স্থায়ী সম্পদের মূল্য ধরা হয়েছে ৬৪১ কোটি টাকা।

এদিকে হোলসিমকে কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে লাফার্জ ও হোলসিমের জোটবদ্ধ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে প্রায় ৪২ লাখ টনে। ফলে সিমেন্টের বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসবে লাফার্জ। দুই কোম্পানির একীভূত বাজার অংশীদারত্বের পরিমাণ দাঁড়াবে ১০ শতাংশের বেশি। শীর্ষে থাকা শাহ সিমেন্টের বাজার অংশীদারত্ব সাড়ে ১৪ শতাংশ। বর্তমানে সিমেন্টের বাজার অংশীদারত্বে আলাদা আলাদাভাবে লাফার্জ ও হোলসিম সিমেন্ট যথাক্রমে অষ্টম ও নবম অবস্থানে রয়েছে।

About

Comments

comments

সম্পাদক
মফিজুল ইসলাম অলি
ফুলপুর, মোবা: 01712344037

সহকারী সম্পাদক
01. আনছারুল হক রাসেল
হালুয়াঘাট, মোবা: 01750040090
02. শাহ্‌ মোঃ নাফিউল্লাহ সৈকত
ফুলপুর, মোবা: 01711129901

প্রকাশক
রাকিবুল ইসলাম রাকিব
নালিতাবাড়ী, মোবা: 01715560895

বার্তা সম্পাদক
রফিকুল ইসলাম রবি
ধোবাউড়া, মোবা: 01911415636