Thursday, 19/10/2017 | 1:59 UTC+6
দৈনিক বাংলাদেশ

হকিতে ‘আন্দোলন আন্দোলন’ খেলা

কদিন আগেই দলবদলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন হকি খেলোয়াড়েরা। দাবি মেনে নিয়ে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে দলবদলের সূচিও দিয়েছে ফেডারেশন। কিন্তু তার পরও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দাবি-দাওয়া শেষ হচ্ছে না। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে এসে খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভাপতি রাসেল খান (বাপ্পী) কাল হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহর কাছে পেশ করেছেন তিনটি দাবি। এগুলো হলো: দলবদলের সূচি যাতে বদলে না যায়, সেটির লিখিত নিশ্চয়তা দিতে হবে; দলবদলের সময় কোনো ক্লাব যাতে এককভাবে বিকেএসপির সব খেলোয়াড় নিতে না পারে সেটি নিশ্চিত করতে হবে; বিদেশি খেলোয়াড়ের কোটা কমিয়ে তিনজন করতে হবে।

কাল নতুন এই তিনটি দাবি নিয়ে সাধারণ সম্পাদকের মৌখিক প্রতিশ্রুতি আদায়েরও চেষ্টা করেন খেলোয়াড়েরা। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি না পেয়ে হকি মাঠে নেমে তাঁরা ক্যাম্প বর্জনের ঘোষণা দেন। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন সর্বশেষ জাতীয় দলের অধিনায়ক জাহিদ, জিমি, বিপ্লব, মিমো, চন্দন, কৌশিক, জন, পিন্টু প্রমুখ।

আগামী ২৪ আগস্ট-১ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ায় এশিয়া কাপ হকি। খেলোয়াড়দের এখন মাঠে ব্যস্ত থাকার কথা অনুশীলনে। কিন্তু দুই দিন পর পর এমন আন্দোলনে আবারও জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় হকি অঙ্গনের অনেকেই।

খেলোয়াড়দের নতুন দাবিগুলোকে অযৌক্তিক বলছেন রহমতউল্লাহ, ‘কোন ক্লাব কাদের নিয়ে দল গড়বে সেটা ক্লাবের ব্যাপার। বিদেশি খেলোয়াড় বাড়ানো-কমানো লিগ কমিটির সিদ্ধান্ত। দলবদলের নিশ্চয়তা তো তারা পেয়েছে। ফেডারেশনের সভাপতি নিজে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন দলবদল হবে। আমার চেয়ে অনেক বড় ব্যক্তিরা এখানে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এটাই তো বড় নিশ্চয়তা।’ তবে খেলোয়াড়দের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা যেসব দাবি নিয়ে এসেছেন এগুলো যৌক্তিক হলে অবশ্যই বিবেচনা করব। এ জন্য আমাকে সভাপতির সঙ্গে কথা বলতে হবে। এখনই আমরা এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’

নির্বাচন সামনে রেখে তৃতীয় পক্ষ কি হকি অঙ্গন অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে? রহমতউল্লাহ দিলেন কৌশলী উত্তর, ‘ষড়যন্ত্র হলেও হতে পারে। কিন্তু এসবের তো কোনো প্রমাণ নেই, তাই কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি না আমি। তবে এখন যেগুলো করা হচ্ছে সেটা মোটেও হকির জন্য ভালো কিছু হচ্ছে না।’

এশিয়া কাপের প্রস্তুতি ফেলে রেখে এভাবে আন্দোলন করতে বেশ বিব্রত জাতীয় দলের স্ট্রাইকার রাসেল মাহমুদ (জিমি)। কিন্তু খেলোয়াড়দের দাবিটাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন তিনি, ‘আমাদের নিয়ে ক্লাবগুলো কি ছিনিমিনিই খেলবে? বিকেএসপির খেলোয়াড় নিয়েই যদি একটি ক্লাব দল গড়ে, তাহলে আমাদের খেলে লাভ কি?  আমরা যেহেতু এই সাধারণ সম্পাদকের অধীনে কোনো ব্যাপারেই নিশ্চয়তা পাচ্ছি না, তাই তাঁর অধীনে কোনো খেলায় অংশগ্রহণ করব না। দেশের জন্য ১০ বছর খেলছি কোনো স্বার্থ ছাড়াই। তাঁরাই এমন আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছেন।’

About

Comments

comments

সম্পাদক
মফিজুল ইসলাম অলি
ফুলপুর, মোবা: 01712344037

সহকারী সম্পাদক
01. আনছারুল হক রাসেল
হালুয়াঘাট, মোবা: 01750040090
02. শাহ্‌ মোঃ নাফিউল্লাহ সৈকত
ফুলপুর, মোবা: 01711129901

প্রকাশক
রাকিবুল ইসলাম রাকিব
নালিতাবাড়ী, মোবা: 01715560895

বার্তা সম্পাদক
রফিকুল ইসলাম রবি
ধোবাউড়া, মোবা: 01911415636